মূল কনটেন্টে যান

কালী পূজা ২০২৬: অমাবস্যার তিথি ও নির্ঘণ্ট! জানুন মা শ্যামার পূজার সঠিক সময় ও তারিখ | Kali Puja

কালী পূজা ২০২৬: অমাবস্যার তিথি ও নির্ঘণ্ট! জানুন মা শ্যামার পূজার সঠিক সময় ও তারিখ | Kali Puja

শরতের হিমেল হাওয়ার পরেই যখন হেমন্তের আগমন ঘটে, তখনই চারপাশ সেজে ওঠে প্রদীপের আলোয়। বাঙালির কাছে কালী পুজো বা শ্যামা পুজো মানেই এক অন্যরকম আবেগ। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনের প্রতীক মা কালীর আরাধনা নিয়ে আমাদের প্রস্তুতির শেষ থাকে না।

কালী পূজা

আপনি কি ২০২৬ সালের কালী পূজার সঠিক তারিখ এবং সময় খুঁজছেন? তবে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকের ব্লগে আমরা জানাব ২০২৬ সালের শ্রী শ্রী শ্যামা পূজার নির্ঘণ্ট ও বিশেষ কিছু তথ্য।


১. ২০২৬ সালে কালী পূজা কবে? (তারিখ)

২০২৬ সালে কালী পূজা বা দীপাবলি পালিত হবে ৮ই নভেম্বর, রবিবার (বাংলা তারিখ অনুযায়ী এটি কার্তিক মাসের শেষ দিকে পড়বে)।

এই দিনটিতেই সারা দেশ জুড়ে অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে মা কালীর আরাধনা করা হবে এবং ঘরে ঘরে দীপাবলির আলো জ্বালানো হবে।

২. শ্রী শ্রী শ্যামা পূজার সময়সূচি ও অমাবস্যার তিথি

কালী পূজা মূলত অমাবস্যা তিথিতে নিশি রাতে করা হয়। ২০২৬ সালের পূজার সম্ভাব্য সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো (বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত ও গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা ভেদে সামান্য সময়ের পার্থক্য হতে পারে):

  • অমাবস্যা তিথি শুরু: ৮ই নভেম্বর (রবিবার) বিকেলে।
  • অমাবস্যা তিথি শেষ: ৯ই নভেম্বর (সোমবার) বিকেলে।
  • নিশিপালন ও প্রধান পূজা: ৮ই নভেম্বর দিবাগত রাতেই মূল কালী পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: পূজার সঠিক লগ্ন বা মুহূর্তগুলো স্থানীয় পঞ্জিকা দেখে পুনরায় মিলিয়ে নেওয়া ভালো, কারণ স্থানভেদে কয়েক মিনিটের এদিক-ওদিক হতে পারে।


৩. কেন আমরা মা শ্যামার পূজা করি?

পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, যখন অসুরদের অত্যাচারে স্বর্গ-মর্ত্য টালমাটাল হয়ে উঠেছিল, তখন দেবী দুর্গার ললাট থেকে আবির্ভূত হয়েছিলেন মা কালী। তিনি আসুরিক শক্তি ধ্বংস করে সৃষ্টিকে রক্ষা করেন।

  • অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা: কালী পূজা আমাদের শেখায় মনের ভেতরের অন্ধকার আর ভয়কে জয় করে আলোর পথে চলতে।
  • শক্তির আরাধনা: গৃহস্থ বাড়িতে মা কালীর ‘লক্ষ্মী রূপ’ এবং মন্দিরে বা শ্মশানে ‘করাল বদনী’ রূপে তাঁর পূজা করা হয়।

৪. ২০২৬ কালী পূজার প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে?

১. ঘরবাড়ি পরিষ্কার: দীপাবলির আগে ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা অত্যন্ত শুভ মনে করা হয়। ২. দীপদান: পূজার সন্ধ্যায় বাড়ির প্রবেশদ্বার ও প্রতিটি কোণ প্রদীপ দিয়ে সাজিয়ে তুলুন। ৩. ভোগ ও প্রসাদ: মা শ্যামার প্রিয় খিচুড়ি ভোগ, লাবড়া আর বলির পর নিরামিষ মাংসের প্রসাদ রান্নার প্রস্তুতি আগে থেকেই সেরে রাখুন। ৪. সচেতনতা: বাজি পোড়ানোর সময় অবশ্যই ছোটদের এবং পশুপাখিদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রাখুন।


৫. শেষ কথা

২০২৬ সালের কালী পূজা আপনার জীবনে নিয়ে আসুক সুখ, শান্তি আর সমৃদ্ধি। মা কালীর আশীর্বাদে আমাদের সবার মনের অন্ধকার দূর হোক। মনে রাখবেন, মা কেবল শক্তির দেবী নন, তিনি পরম করুণাময়ী মাতাও বটে।

আপনার এলাকায় কালী পূজার বিশেষ আকর্ষণ কী? বড় কোনো প্যান্ডেল নাকি বাড়ির পূজা— কোনটা আপনার বেশি প্রিয়? কমেন্টে আমাদের জানান!

★ আপনার প্রিয় তালিকা

তালিকা খালি আছে।

ক্যাটাগরি